১০ পিস · প্রতি পিস ৭৫ টাকার বদলে এখন ৬৫ টাকা। নাগা মরিচের ঝাঁঝ, হাতে বানানো।
রেগুলার চ্যাপা শুটকির বড়াতে ঝাল স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকের কাছে সেটা কম লাগে।
তাদের জন্যই এই নাগা ভার্শন। ভেতরে নাগা মরিচ — ঘ্রাণেই বুঝবেন।
গরম ভাতের সাথে এক পিস। এরপর আর কিছু লাগে না।
আমরা পিস হিসাবে বিক্রি করি। নাগার প্রতি পিস রেগুলার ৭৫ টাকা। এখন অফারে প্রতি পিস ৬৫ টাকা।
এই প্যাকে ১০ পিস
১০ × ৬৫ = ৬৫০ টাকা
আগের দাম ১০ × ৭৫ = ৭৫০ টাকা · সাশ্রয় ১০০ টাকা
| পিস | রেগুলার (৭৫/পিস) | এখন (৬৫/পিস) | সাশ্রয় |
| ১০ পিস (এই প্যাকটা) | ৭৫০ টাকা | ৬৫০ টাকা | ১০০ টাকা |
মানে প্রতি পিসে ১০ টাকা করে কম পড়ছে। যেটা এমনিতেই নিতেন, সেটাই একটু কমে।
একটা কথা সোজা বলে দেই।
এই বড়া হাতে বানানো। প্রতিটা পিস হাতে গোল করা হয়, তাই কোনোটা একটু বড় হয়, কোনোটা একটু ছোট। রোদে শুকানোর পর ওজনও একটু কমে যায়।
তাই গ্রাম-কেজির হিসাব দিলে সেটা ঠিক হবে না। আমরা পিস গুনে দেই — যেটা গুনে মিলিয়ে নেওয়া যায়। ১০ পিস মানে ১০ পিসই।
চ্যাপা শুটকি, নাগা মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, হলুদ-মরিচের গুঁড়া আর খাঁটি সরিষার তেল।
মসলা শীলপাটায় বাটা। মেশিনে গুঁড়া করা মসলার সাথে এর স্বাদের তফাত আপনি প্রথম কামড়েই বুঝবেন।
কোনো প্রিজারভেটিভ নাই, রং নাই।
ঝাল বেশ ভালোই। নাক দিয়ে পানি আসতে পারে।
বাচ্চাদের জন্য এইটা না। বাসায় সবাই মিলে খাবেন ভাবলে রেগুলার চ্যাপা শুটকির বড়া নেওয়াই ভালো।
এটা একটু মন দিয়ে পড়ুন, কারণ এখানেই বেশিরভাগ ভুল হয়।
প্যাকেট হাতে পেয়েই ফ্রিজে (ডিপে) তুলে রাখুন। ডিপে রাখলে ৫-৬ মাস ভালো থাকে।
বাইরে খোলা জায়গায় বা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অনেকদিন ফেলে রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
ঝালে নাক দিয়ে পানি পরতেছিল কিন্তু এইদিকে মুখ থামাতে পারতেছিলাম না। — সিদরাতুল
নাগারটা নিয়েছিলাম, ঝাল খাওয়ার মজাই আলাদা। আবার লাগবে। — তানভীর
১০ পিসের দাম ৬৫০ টাকা কীভাবে হলো?
নাগার প্রতি পিস রেগুলার ৭৫ টাকা। অফারে ৬৫ টাকা। ১০ × ৬৫ = ৬৫০ টাকা। আগে হতো ৭৫০, মানে ১০০ টাকা কম।
রেগুলারের চেয়ে দাম বেশি কেন?
নাগা মরিচের দাম বেশি, আর সেটা আলাদা করে দিতে হয়। রেগুলার বড়া প্রতি পিস ৪৫ টাকা।
ওজন কত?
হাতে বানানো জিনিস, প্রতিটা পিসের ওজন একরকম হয় না। তাই আমরা ওজন না লিখে পিস গুনে দেই।
কতদিন ভালো থাকে?
ডিপ ফ্রিজে রাখলে ৫-৬ মাস।